“ঈদের আগে রেমিট্যান্সে রেকর্ড সুবাতাস, ২২ দিনেই এলো ২৮০ কোটি ডলার”
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানিয়েছেন, চলতি মে মাসের প্রথম ২২ দিনে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ২৪ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। অথচ গত বছরের একই সময়ে এসেছিল প্রায় ২০৯ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে বিদেশে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের পরিবার-পরিজনের জন্য বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন। যার ফলে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈধভাবে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা আরও বেড়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে ২২ মে পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ২১৩ কোটি ৫৪ লাখ মার্কিন ডলার। যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২০ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসীদের পাঠানো এই অর্থ দেশের অর্থনীতির অন্যতম বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
এর আগে গত মার্চ মাসে দেশে এসেছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের বেশি রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে এক মাসে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড। এছাড়া এপ্রিল মাসে আসে ৩১২ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, নভেম্বর ও ডিসেম্বরেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে সরকার ও ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রণোদনা এবং সহজ ব্যাংকিং ব্যবস্থার কারণে প্রবাসীরা এখন বেশি পরিমাণে টাকা দেশে পাঠাচ্ছেন। পাশাপাশি ঈদকে সামনে রেখে পরিবারের খরচ, কোরবানির প্রস্তুতি এবং আত্মীয়-স্বজনদের সহায়তার জন্যও রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।
দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের অবদান সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের পাঠানো অর্থ দেশের রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটানো, ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে বড় ভূমিকা রাখছে।
এই বিষয়ে আপনার মতামত কী? কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।
ভিডিওটি ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। দেশের সর্বশেষ খবর সবার আগে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আপনার নিউজ চ্যানেল এবং পাশে থাকা বেল আইকনটি অন করে রাখুন।








